খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্যকে গুলি করে হত্যা
খাগড়াছড়ি সংবাদদাতা
প্রকাশ: ০৭ মার্চ ২০২৬, ১০:১৫ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় ইউনাইটেড পিপল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) এক সদস্যকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ) সকালে খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার ৩নং পানছড়ি সদর ইউপির বড়কোণা এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহত আপন ত্রিপুরা ৫নং উল্টাছড়ি ইউপির মরাটিলা এলাকার পদ্মিনী পাড়া গ্রামের কিরণ মুনি ত্রিপুরার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বেলা আনুমানিক সাড়ে ১১টার সময় সন্তু গ্রুপের ১৫-২০ জনের একদল সশস্ত্র বাহিনী পানছড়ি সদর ইউনিয়নের বড়কোণা এলাকায় প্রবেশ করে ওৎ পেতে বসে থাকে। এ সময় ইউপিডিএফ সদস্য আপন ত্রিপুরা ওরফে সংগ্রাম (২৮) সাংগঠনিক কাজে যাওয়ার পথে তাদের সামনে পড়ে যায়। এসময় তারা তাকে কাছে পেয়ে গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ইউপিডিএফের খাগড়াছড়ি ইউনিটের সংগঠক অংগ্য মারমা এক বিবৃতিতে এ হত্যাকাণ্ডের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
অংগ্য মারমা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পানছড়ি এলাকায় জেএসএস-সন্তু লারমা পক্ষ খুন, অপহরণসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। কিন্তু প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। উল্টো তাদের সহযোগিতা করা হচ্ছে। এর ফলে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘটছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় সহ-তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা বলেন, জনসংহতি সমিতির কোনো সদস্যের এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নেই। এ ঘটনায় জনসংহতি সমিতিকে দোষারোপ করা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
পানছড়ি থানার ওসি মো. ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, খবর পেয়েছি, এলাকা দুর্গম হওয়ায় সেখানে পৌঁছাতে এবং মরদেহ উদ্ধার করতে সময় লাগছে।

