Logo
Logo
×

সারাদেশ

বিএনপি নেতার পাম্প থেকে গায়েব ৫০ হাজার লিটার পেট্রোল ঘটনায় মামলা-বহিস্কার

Icon

ময়মনসিংহ সংবাদদাতা

প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৮ পিএম

বিএনপি নেতার পাম্প থেকে গায়েব ৫০ হাজার লিটার পেট্রোল ঘটনায় মামলা-বহিস্কার

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বিএনপি নেতা আজিজুল হকের মালিকানাধীন মেসার্স সোয়াদ ফিলিং স্টেশন থেকে প্রায় ৫০ হাজার লিটার পেট্রোল গায়েব হওয়ার ঘটনায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর বুধবার (০৮ এপ্রিল) বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়। আজিজুল হক গৌরীপুর উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় নীতি, অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে আজিজুল হককে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার আজিজুল হকের মালিকানাধীন সোয়াদ ফিলিং স্টেশন থেকে ৫০ হাজার লিটার পেট্রোল গায়েব হওয়ার ঘটনা ঘটে। জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত সেখানে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সত্যতা পান। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হুদা মনির। 

এ ঘটনায় ওই ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপককে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার ব্যবস্থাপক মো. জলিল হোসেন রিফাত (৩০) উপজেলার ২ নম্বর গৌরীপুর ইউনিয়নের হিম্মতনগর গ্রামের বাসিন্দা। 

মঙ্গলবার রাতেই জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সার্টিফিকেট সহকারী আফসারুল ইসলাম বাদী হয়ে এ ঘটনায় মামলা করেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ১, ২ ও ৪ এপ্রিল ভৈরববাজার (কিশোরগঞ্জ) ডিপো থেকে ৪০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল ওই ফিলিং স্টেশনে আনা হয়। এরপর ৬ ও ৭ এপ্রিল আরও ১৮ হাজার লিটার পেট্রোল মজুত করা হয়। সব মিলিয়ে ৫৮ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল স্টেশনে থাকার কথা থাকলেও তা পাওয়া যায়নি। সেখানে ৮ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল পাওয়া যায়। বাকি পেট্রোল গায়েব করে দেওয়া হয়।

এ অবস্থায় স্টেশনে ‘তেল নেই’ লেখা সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রাখা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত কাগজপত্র যাচাই করে বিপুল পরিমাণ পেট্রোল আনার সত্যতা পান। পরে ব্যবস্থাপকের কাছে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি সন্তোষজনক কোনও ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তাকে গ্রেফতার করে থানায় নেওয়া হয় এবং নিয়মিত মামলার মাধ্যমে গ্রেফতার দেখানো হয়।

অভিযোগের বিষয়ে ওই দিন ফিলিং স্টেশনের মালিক আজিজুল হক বলেন, ‘আমি যে পেট্রোল এনেছি তা প্রতিদিন বিক্রি করে দিয়েছি। এখানে অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অযথা হয়রানি করেছেন।’

প্রধান সম্পাদক- আ.ত.ম. শামসুজ্জামান

ইশা ফাউন্ডেশন’র একটি প্রকাশনা

অনুসরণ করুন