Logo
Logo
×

সারাদেশ

‘রাজনীতির সদরে-অন্দরে’ কালোত্তীর্ণ গ্রন্থ হবে: নজরুল ইসলাম খান

Icon

নিজস্ব সংবাদদাতা

প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫৪ এএম

‘রাজনীতির সদরে-অন্দরে’ কালোত্তীর্ণ গ্রন্থ হবে: নজরুল ইসলাম খান

ছবি-জাতীয় প্রেস ক্লাবে বইটির প্রকাশনা অনুষ্ঠান

সাংবাদিক মারুফ কামাল খানের লেখা ‘রাজনীতির সদরে-অন্দরে’ বইটি কালোত্তীর্ণ গ্রন্থে পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে বইটির প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। বইটি প্রকাশ করেছে সূচিপত্র।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনেক রাজনীতিবিদ রয়েছেন, যাদের অবদান সময়ের সঙ্গে মানুষের স্মৃতি থেকে মুছে যেতে বসেছে। অথচ বাংলাদেশের রাজনীতির পুনর্গঠন ও রাজনীতিকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। লেখক মারুফ কামাল খান তার বইয়ে সেইসব বিস্মৃতপ্রায় রাজনীতিককে নতুন করে পাঠকের সামনে তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, ‘যাদের ভুলে যাওয়া হয়েছিল কিংবা যাদের ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছিল, মারুফ কামাল খান তাদের সামনে নিয়ে এসেছেন একজন লেখক হিসেবে। সাংবাদিকতা ও একজন সচেতন রাজনৈতিক কর্মীর অনুভূতির সমন্বয় থেকে বইটি লেখা হয়েছে।’

বইটি নিজে পড়েছেন জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, বইটি তাকে নতুন করে আগ্রহী করেছে এবং শিগগিরই তিনি এটি আবার পড়তে চান। বইয়ে এমন অনেক তথ্য রয়েছে, যা আগে তার জানা ছিল না বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এর মধ্যে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও শেখ মুজিবকে ঘিরে একটি ঘটনার কথাও তুলে ধরেন নজরুল ইসলাম খান।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, সাধারণত মানুষ জনপ্রিয় ও বিখ্যাত ব্যক্তিদের নিয়েই আলোচনা করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। কিন্তু যারা সময়ের সঙ্গে পিছিয়ে পড়েছেন, প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন কিংবা মানুষের স্মৃতি থেকে হারিয়ে গেছেন, তাদেরও যে ইতিহাস, যোগ্যতা ও অবদান রয়েছে—লেখক তা তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষ উদীয়মান সূর্যের পূজা করে। যারা বিখ্যাত, গ্রহণীয় ও জনপ্রিয়, তাদের কথা বলা সহজ। কিন্তু যারা কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে, প্রত্যাখ্যাত হয়েছে, তাদেরও যে যোগ্যতা আছে, ইতিহাস আছে, অবদান আছে—এসব তুলে ধরার মধ্য দিয়ে মারুফ কামাল খান প্রমাণ করেছেন যে, তিনি সাধারণ নন, অসাধারণ।’

অনুষ্ঠানে ‘রাজনীতির সদরে-অন্দরে’ বইটির বিভিন্ন অধ্যায়ের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন নজরুল ইসলাম খান। মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানীর দুটি কুকুরের নাম ‘ফিল্ড মার্শাল’ ও ‘ইন্দিরা’ রাখার তথ্যের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

তার মতে, বইটির বিশেষত্ব শুধু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে আলোচনা নয়; বরং বাংলাদেশের রাজনীতির নানা ঘটনা, ব্যক্তি ও সময়কে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে পাঠকের সামনে হাজির করা।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের অনুষ্ঠানে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, সাবেক তথ্যমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আ ল ম ফজলুর রহমান, যুগান্তর সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সহকারী প্রেস সচিব আশিক ইসলামসহ পেশাজীবী, সাংবাদিক ও সাহিত্যিকরা বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে বইটির প্রকাশক সূচিপত্রের সাঈদ বারী এবং আবিষ্কার প্রকাশক দেলোয়ার হাসানও উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান সম্পাদক- আ.ত.ম. শামসুজ্জামান

ইশা ফাউন্ডেশন’র একটি প্রকাশনা

অনুসরণ করুন