Logo
Logo
×

সারাদেশ

কাঁচপুর-ইলিশা রুটে ফেরির সংখ্যা বাড়ানো হবে: নৌপরিবহন মন্ত্রী

Icon

নারায়ণগঞ্জ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১২ পিএম

কাঁচপুর-ইলিশা রুটে ফেরির সংখ্যা বাড়ানো হবে: নৌপরিবহন মন্ত্রী

ছবি-সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর-ভোলার ইলিশা নৌপথে ফেরির সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল পাঁচটায় নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ফেরিঘাটে কাঁচপুর-ইলিশা নৌপথে সরাসরি ফেরি সার্ভিসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ রবিউল আলম বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে ফেরি সার্ভিস চালুর পর জনগণের ব্যাপক আগ্রহ ও সাড়া পাওয়া গেছে।  এটি একটি প্রয়োজনীয় ও জনবান্ধব নৌরুট হিসেবে গুরুত্ব পেয়েছে। ফেরির সংখ্যা বাড়ানো, সেবার মান উন্নত করা, শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা এবং যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা চলছে।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি ফেরি চলছে। ফেরির স্বল্পতা রয়েছে। তবে জনগণের চাহিদা বিবেচনায় প্রয়োজন হলে দ্রুততম সময়ে ফেরির সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ভোলাকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে স্থলপথে যুক্ত করতে তিনটি সেতু ও সড়ক নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে এ যোগাযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে। এর আগে কাঁচপুর-ইলিশা নৌপথে সরাসরি ফেরি যোগাযোগ চালু করা হয়েছে।

দ্বীপ জেলা ভোলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকা ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সরাসরি যোগাযোগ সহজ করতে গত ২৭ আগস্ট থেকে এ নৌপথে পরীক্ষামূলকভাবে ফেরি চলাচল শুরু হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) ‘বেগম সুফিয়া কামাল’ ও ‘বেগম রোকেয়া’ নামের দুটি ফেরি এ রুটে চলাচল করছে। প্রতিদিন উভয় প্রান্ত থেকে একটি করে ফেরি ছেড়ে যায়। এক ট্রিপে সময় লাগে প্রায় আট ঘণ্টা।

সরাসরি ফেরি সার্ভিস চালুর ফলে পণ্যবাহী ট্রাক, পিকআপ ও ব্যক্তিগত গাড়িসহ বিভিন্ন যানবাহন কাঁচপুর থেকে সরাসরি ভোলায় যাতায়াতের সুযোগ পাচ্ছে। এতে ভোলার ব্যবসা-বাণিজ্য, পণ্য পরিবহন ও মানুষের চলাচলে সময় ও ভোগান্তি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শেখ রবিউল আলম বলেন, ভোলা দীর্ঘদিন ধরে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সরাসরি স্থল যোগাযোগের ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। স্থল যোগাযোগ স্থাপনে কয়েক বছর সময় লাগবে। এ সময়ের মধ্যে ফেরি সার্ভিস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বেসরকারি উদ্যোক্তারা এগিয়ে এলে নির্দিষ্ট শর্তে তাঁদের প্রস্তাবও বিবেচনা করা হবে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশের ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, বর্ষা ও বন্যায় মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইতিমধ্যে সংস্কারের প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। বৃষ্টি কমলে কাজ শুরু করা হবে।

বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান এটিএম আব্দুল বারী ড্যানীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. জাকারিয়া, পরিচালক (প্রশাসন) মাে. রবিউল আলম, পরিচালক (বাণিজ্য) এস এম আশিকুজ্জামান, পরিচালক (কারিগরি) ক্যাপ্টেন মুহাম্মদ হাসেমুর রহমান চৌধুরী, পরিচালক (অর্থ) শেখ মু. নাসিম। নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

প্রধান সম্পাদক- আ.ত.ম. শামসুজ্জামান

ইশা ফাউন্ডেশন’র একটি প্রকাশনা

অনুসরণ করুন