চাটমোহরে হত্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগে মানববন্ধন
চাটমোহর (পাবনা) সংবাদদাতা
প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৪ পিএম
ছবি-সপ্র
পাবনার চাটমোহরে হত্যা মামলায় গ্রামের নিরীহ মানুষদের হয়রানীর প্রতিবাদে ও মামলা থেকে তাদের নাম প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার সজনাই গ্রামের পাকা সড়কে এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
মানববন্ধনে আব্দুল আলীম, আব্দুল আজিজ,
মানিক মিয়া, কামরুল হাসান বর্ষণ, শান্তা খাতুন ও খাদিজা পারভীনসহ স্থানীয়রা বক্তব্য
দেন।
বক্তারা অভিযোগ করেন, আব্দুল বারেক
ওরফে বাকি হত্যা মামলায় রবি ও তার স্ত্রী রেশমাকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে
একই মামলায় গ্রামের জাকির, মতিন, মাহমুদ, উজ্জল, আওয়াল, মোস্তব ও দেলোয়ারসহ আরও কয়েকজনকে
আসামি করা হয়েছে। তাদের দাবি, এসব ব্যক্তি ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন না; কেউ কেউ নিজ
নিজ কর্মস্থলে ছিলেন। এরপরও মামলায় তাদের আসামি করায় তারা গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় পরিবার
ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
এ সময় বক্তারা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের
মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। একই সঙ্গে
তদন্তে সম্পৃক্ততা না পাওয়া ব্যক্তিদের মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে হয়রানি বন্ধের আহ্বান
জানান তারা।
এ বিষয়ে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) অলিউর রহমান বলেন, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া
যাবে, তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ আগস্ট
সজনাই গ্রামের সোবাহান আলীর ছেলে আব্দুল বারেক ওরফে বাকি বাড়ির পাশের একটি পুকুরে পাঁঠা
ছাগলকে গোসল করাতে নিয়ে যান। এ সময় প্রতিবেশী জাহের মোল্লার ছেলে রবিউল ইসলাম রবি এতে
বাধা দিলে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রবি ও তার স্ত্রী রেশমা বাঁশ ও
কাঠের বাটাম দিয়ে বাকির মাথায় আঘাত করেন। পরে তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২ সেপ্টেম্বর
সকালে মারা যান আব্দুল বারেক।
এ ঘটনায় নিহতের চাচা ওয়াহাব প্রামাণিক
বাদী হয়ে চাটমোহর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় রবি ও তার স্ত্রী রেশমাসহ ১০ জনকে
আসামি করা হয়।

