Logo
Logo
×

সারাদেশ

পুত্রবধূকে কোপাতে বাধা, স্ত্রীকে কুপিয়ে থানায় আত্মসমর্পণ

Icon

নাটোর সংবাদদাতা

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৪ পিএম

পুত্রবধূকে কোপাতে বাধা, স্ত্রীকে কুপিয়ে থানায় আত্মসমর্পণ

প্রতীকী ছবি

পুত্রবধূকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে নজরুল ইসলাম (৫৫) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। পরে তিনি থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্ত্রী রওশন আরা (৪২) রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার জলন্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নজরুল ইসলামের ছেলে রাসেল আহমেদ দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। তবে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি না নেওয়ায় এ নিয়ে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। রাসেল চাকরিজীবী ছিলেন। প্রথম স্ত্রী তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করার পর তিনি চাকরি হারান। ছেলের চাকরি চলে যাওয়ায় পুত্রবধূর ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন নজরুল ইসলাম।

শুক্রবার সকালে ছেলের প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে নজরুল ইসলামের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তিনি ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুত্রবধূকে কোপাতে যান। এ সময় স্ত্রী রওশন আরা বাধা দিলে নজরুল ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন।

পরে প্রতিবেশীরা রওশন আরাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর কাটা জখম হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বজনেরা।

রওশন আরার ভাই জরিফ উদ্দিন বলেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে তার বোনকে কুপিয়ে আহত করেছেন নজরুল ইসলাম। প্রথমে তিনি পুত্রবধূকে আঘাত করতে গেলে রওশন আরা বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি তার বোনকে কুপিয়ে জখম করেন। রওশন আরার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে।

নজরুল ইসলামের পুত্রবধূ বলেন, অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকে তার স্বামী রাসেল তার খোঁজখবর রাখেন না। এ নিয়ে তিনি অভিযোগ করলেও শ্বশুর তাকে সমর্থন করেননি। তিনি শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে একই বাড়িতে বসবাস করছিলেন। ঘটনার সময় নজরুল ইসলাম তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে এলে শাশুড়ি বাধা দেন। এরপর তাকে কুপিয়ে আহত করা হয়।

বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, আহত নারীর ভাই জরিফ উদ্দিন বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। এর আগেই নজরুল ইসলাম থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেন। তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।

প্রধান সম্পাদক- আ.ত.ম. শামসুজ্জামান

ইশা ফাউন্ডেশন’র একটি প্রকাশনা

অনুসরণ করুন