ছবি: সংগৃহীত
রোজা মানুষকে আত্মসংযম শেখায়। রোজা মানুষকে শারীরিক, মানসিক ও আত্মিকভাবে পরিশুদ্ধ করে। শারীরিক দুর্বলতার কবলে পড়লে রোজা রাখাই সম্ভব হবে না। তবে ঠিকমতো নিজের যত্ন নিলে রমজানের পুরো সময় সুস্থ ও প্রাণবন্ত থাকা সম্ভব। কিছু নিয়মকানুন আর প্রয়োজনীয় খাবার খেলেই কোনো সমস্যা ছাড়াই রাখা যাবে সবগুলো রোজা। রোজায় নিজেকে সুস্থ রাখতে কী করবেন, চলুন জেনে নিই—
সাহরিতে বেছে নিন স্বাস্থ্যকর খাবার : সাহরিতে এমন খাবার রাখুন যা একইসঙ্গে স্বাস্থ্যকর ও সারা দিনের শক্তি জোগাবে। সাহরিতে জটিল কার্বোহাইড্রেট যেমন হোল গ্রেইন রুটি বা বাদামি চাল, সঙ্গে প্রোটিন যেমন ডিম বা পনির রাখুন। বাদাম খেতে পারেন। কলা শরীরে বাড়তি শক্তি যোগাবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন।
হালকা ব্যায়াম করুন : রোজার শুরুতে কয়েক দিন খারাপ লাগলেও ধীরে ধীরে শরীর মানিয়ে নেয়। রোজা রেখে সারা দিন শুয়ে বসে না থেকে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটুন। কিছু স্ট্রেচিং বা সহজ-শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন। এতে শরীর চাঙা থাকবে।
ঘুমের সময় ঠিক করুন : রোজায় স্বাভাবিকভাবেই ঘুমের সময় এলোমেলো হয়ে যায়। তারাবি ও সাহরিতে ঘুমের রুটিনে পরিবর্তন আসে। নির্দিষ্ট সময় ধরে ঘুমানোর চেষ্টা করুন। ঘুম কম হলে ক্লান্তি বাড়বে। শরীরের ওপর অতিরিক্তি বীরত্ব দেখানোর প্রয়োজন নেই।
ঠান্ডা পরিবেশে থাকুন : এখন দিনে গরম পড়া শুরু হয়েছে। গরমে রোজা রাখা মোটামুটি কষ্টসাধ্য ব্যাপার। এ সময় রোদ এড়িয়ে চলুন। রোদে থাকলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। শরীরে দুর্বলতাও দেখা দিতে পারে। তাই ঠান্ডা পরিবেশে থাকুন।
কিছু খাবার এড়িয়ে চলুন :ইফতার ও সাহরিতে ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত তেল, মসলা, সাদা চিনি, বাইরের জুস, রাস্তার ফাস্টফুড এড়িয়ে চলুন।
পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার রাখুন : রাতে বিশেষ করে সাহরিতে পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার খেতে হবে। কারণ, দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে শরীরে পানির ঘাটতি হয়। ইফতারে সুপ, জুস বা পানি পান করুন। চা ও কফি সীমিত রাখনু। অতিরিক্ত মিষ্টিযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন।

