Logo
Logo
×

জাতীয়

পুলিশি হয়রানি বন্ধসহ দাবিতে প্রেসক্লাব সড়কে রিকশাচালকদের অবরোধ

Icon

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৭ পিএম

পুলিশি হয়রানি বন্ধসহ দাবিতে প্রেসক্লাব সড়কে রিকশাচালকদের অবরোধ

ছবি: সংগৃহীত

পুলিশি হয়রানি বন্ধ, ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে বাধা না দেওয়া এবং বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপনসহ বিভিন্ন দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়ক প্রায় আড়াই ঘণ্টা অবরোধ করে রাখেন ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকেরা।

সোমবার সকাল ১০টার পর কয়েক শ রিকশাচালক প্রেসক্লাবের সামনে সড়কে অবস্থান নিলে প্রেসক্লাব, পল্টন ও আশপাশের এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। ভোগান্তিতে পড়া অনেক যাত্রীকে গাড়ি ছেড়ে হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশে যেতে দেখা যায়। অবরোধে অংশ নেওয়া চালকেরা ‘পুলিশি হয়রানি বন্ধ করো’ এবং ‘যেখানে রাস্তা, সেখানে অটোরিকশা চলবে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

চালকদের অভিযোগ, রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা চালানোর সময় পুলিশ আটক করলে তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়। একজন চালক সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ আটক করলে ১ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা টাকা আদায় করা হয়। এ ধরনের হয়রানি বন্ধ চান তারা।

অবরোধ চলাকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কের দুই পাশেই যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর প্রভাব পড়ে আশপাশের সড়কগুলোতেও। অফিসগামীসহ বিভিন্ন কাজে বের হওয়া মানুষকে বিকল্প পথে যেতে হয়। বিশেষ করে স্বল্প দূরত্বে যাতায়াতের জন্য ব্যাটারিচালিত রিকশার ওপর নির্ভরশীল যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ১০টার দিকে কয়েক শ রিকশাচালক জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হন। পরে তারা সড়কে অবস্থান নিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। এ সময় অবরোধে অংশ না নিয়ে রাজধানীর অন্য সড়কে রিকশা চালানোর চেষ্টা করা কয়েকজন চালকের অটোরিকশার ব্যাটারির সংযোগ আন্দোলনকারীদের কেউ কেউ বিচ্ছিন্ন করে দেন বলেও জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

চালকদের অভিযোগ, বিভিন্ন রিকশা গ্যারেজে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ায় তারা ব্যাটারি চার্জ দিতে পারছেন না। এতে রিকশা চালানো এবং তাদের আয়-রোজগার ব্যাহত হচ্ছে। তাই বিচ্ছিন্ন করা বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপনের দাবিও জানান তারা।

ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা বৃদ্ধি এবং এসব যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকায় প্রশাসনিক তৎপরতা বেড়েছে। গত আগস্টে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) রাজধানীর ব্যাটারিচালিত ও অটোরিকশার মালিক, চালক, গ্যারেজ এবং এসব যানবাহন তৈরির কারখানার তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নেয়। সে সময় রাজধানীতে প্রায় ৪৮ হাজার অবৈধ চার্জিং পয়েন্ট থাকার তথ্য উঠে আসে। এসব চার্জিং পয়েন্টের সঙ্গে রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার বিস্তারের বিষয়টিও আলোচনায় আসে।

চালকদের দাবি, জীবিকা নির্বাহের জন্য ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলের সুযোগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি হয়রানি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

প্রধান সম্পাদক- আ.ত.ম. শামসুজ্জামান

ইশা ফাউন্ডেশন’র একটি প্রকাশনা

অনুসরণ করুন