Logo
Logo
×

জাতীয়

অপ্রতিম হত্যা মামলা :

চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র

Icon

কুমিল্লা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৬ পিএম

চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যা মামলায় চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের ৩১ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করে এ অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া কর্মকর্তা) মো. লুৎফর রহমান ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে গত মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক আবিদা সুলতানা মলির আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, তদন্তে অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে চারজনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত চারজনই গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজন কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় অন্য দুজনকে গাজীপুর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। চারজনের মধ্যে তিনজন আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

দ্রুত অভিযোগপত্র দাখিল হওয়ায় মামলার বিচারিক কার্যক্রমও দ্রুত শেষ হবে বলে আশা করছে অপ্রতিমের পরিবার।

নিহত অপ্রতিমের বাবা ফিরোজ শাহরিয়ার বলেন, পুলিশ দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযোগপত্র দিয়েছে। এবার বিচারও যেন দ্রুত শেষ হয়। তাঁর ছেলেকে যারা নির্মমভাবে হত্যা করেছে, আইন তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। মায়ের আইফোন দিয়ে ছবি তুলতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেনি সে। পরে তার বাবা ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

নিখোঁজের পরদিন শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ গেটসংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের পাশের সানন্দা গ্রামের একটি ঝোপ থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

অপ্রতিম কোটবাড়ি এলাকার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তদন্তে জানা যায়, তার সঙ্গে থাকা আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত চারজনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পরে অপ্রতিমের বাবার দায়ের করা হত্যা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের মধ্যে সিয়াম ছাড়া বাকি তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

১৩ বছর বয়সী স্কুলশিক্ষার্থী অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এখন দ্রুত বিচার শেষ করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার অপেক্ষায় রয়েছে তার পরিবার।

প্রধান সম্পাদক- আ.ত.ম. শামসুজ্জামান

ইশা ফাউন্ডেশন’র একটি প্রকাশনা

অনুসরণ করুন