Logo
Logo
×

জাতীয়

সবাইকে সঙ্গে নিয়েই দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী: অতিরিক্ত প্রেস সচিব

Icon

সমাচার প্রতিদিন ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম

সবাইকে সঙ্গে নিয়েই দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী: অতিরিক্ত প্রেস সচিব

ছবি-সংগৃহীত

জাপান থেকে দেশে ফেরার পথে বিমানে সামান্য যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরি হলেও সব সফরসঙ্গীকে সঙ্গে নিয়েই দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চাইলে অন্য বিমানে দেশে ফেরার সুযোগ থাকলেও সফরসঙ্গীদের রেখে আসতে চাননি তিনি। এমনটাই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তিনি বলেন, জাপান থেকে ফেরার আগে বিমানে সামান্য যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছিল। তবে প্রধানমন্ত্রী চাইলে অন্য কোনো বিমানে দেশে ফিরতে পারতেন। কিন্তু সফরসঙ্গীদের সেখানে রেখে তিনি একা ফিরতে চাননি। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিমানের যাত্রীদের কাছে গিয়ে কথা বলেন এবং তাঁদের আশ্বস্ত করেন। শেষ পর্যন্ত সবাইকে সঙ্গে নিয়েই দেশে ফেরেন তিনি।

জাপানে চার দিনের সরকারি সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা ৪৮ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

পরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আতিকুর রহমান রুমন জানান, জাপান থেকে বিমান ছাড়ার আগে পর্যবেক্ষণের সময় সামান্য যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। তবে এটি বড় কোনো সমস্যা ছিল না। সফটওয়্যারের মাধ্যমে দ্রুত ত্রুটিটি সমাধান করা হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান বিমানের যাত্রীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করেন বলেও জানান তিনি।

আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ডা. জুবাইদা রহমান তাৎক্ষণিকভাবে বিমানের যাত্রীদের আশ্বস্ত করেন। বিশেষ করে শিশুদের যেন কোনো অসুবিধা না হয় এবং তারা যেন কান্নাকাটি না করে স্বাচ্ছন্দ্যে দেশে ফিরতে পারে, সে বিষয়ে তিনি খোঁজখবর নেন।

উল্লেখ্য, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে গত ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর চার দিনের সরকারি সফরে জাপান যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফর শেষে বৃহস্পতিবার জাপানের স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন। এ ছাড়া দেশটির বিভিন্ন বেসরকারি কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এসব বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা জোরদার এবং বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

এ ছাড়া জাপানে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।

সূত্র: বাসস

প্রধান সম্পাদক- আ.ত.ম. শামসুজ্জামান

ইশা ফাউন্ডেশন’র একটি প্রকাশনা

অনুসরণ করুন