Logo
Logo
×

জাতীয়

মানহীন মেডিকেল কলেজের অনুমতি নয়: প্রতিমন্ত্রী

Icon

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১০ পিএম

মানহীন মেডিকেল কলেজের অনুমতি নয়: প্রতিমন্ত্রী

ছবি-সংগৃহীত

রাজনৈতিক চাপ কিংবা প্রভাবশালী মহলের প্রভাব খাটিয়ে মানহীন কোনো মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

তিনি বলেন, চিকিৎসা শিক্ষার আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা এবং রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

বুধবার রাজধানীর মহাখালীতে বাংলাদেশ মেডিকেল এডুকেশন অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিলের (বিএমইএসি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘অ্যাসেসর ট্রেনিং’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো নতুন বেসরকারি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে প্রভাবশালী বিভিন্ন মহল থেকে চাপ এলেও মান ও নির্ধারিত শর্ত পূরণ না করে কাউকে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুমতি দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, ‘হাসপাতাল ছাড়া মেডিকেল কলেজ হবে আর রোগী না দেখে কেউ চিকিৎসক হয়ে যাবে, এমন পরিস্থিতি চলতে পারে না।’

দেশে চিকিৎসা শিক্ষার বৈষম্য ও ভৌগোলিক অসম বণ্টনের বিষয়টি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ ঢাকা বিভাগে অবস্থিত। অথচ বাকি সাতটি বিভাগে এ ক্ষেত্রে ভারসাম্যহীনতা রয়েছে। জনপ্রিয়তা অর্জনের জন্য সংসদ বা রাজনৈতিক বক্তব্যে নিজ জেলা কিংবা উপজেলায় মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবি না তুলে পরিকল্পিতভাবে স্বাস্থ্য অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন ফর মেডিকেল এডুকেশনের (ডব্লিউএফএমই) নিয়ম অনুসারে অ্যাক্রেডিটেশন অর্জন করতে না পারলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চিকিৎসকদের বৈশ্বিক কর্মক্ষেত্র সংকুচিত হয়ে পড়বে। চিকিৎসকদের পেশাগত মর্যাদা ও আস্থা ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা জরুরি।

বিদেশ থেকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ডিগ্রি নিয়ে আসা শিক্ষার্থীদের প্রসঙ্গে উদ্বেগ জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি বিদেশ থেকে পাস করে আসা চিকিৎসকদের রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষায় মাত্র ৩০ শতাংশ উত্তীর্ণ হয়েছেন।

সন্তানদের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে বিদেশে পড়তে পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান যাচাই করতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

প্রধান সম্পাদক- আ.ত.ম. শামসুজ্জামান

ইশা ফাউন্ডেশন’র একটি প্রকাশনা

অনুসরণ করুন